• ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Budget Session

কলকাতা

সংখ্যালঘু বাজেট নিয়ে আগুন মন্তব্য, থমকে গেল বিধানসভার কাজ

বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে শুক্রবার নজিরবিহীন উত্তেজনা ছড়াল। সংখ্যালঘু উন্নয়নের বাজেট নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল ও তৃণমূল বিধায়ক ফিরহাদ হাকিমের মধ্যে তীব্র বাক্বিতণ্ডা শুরু হয়। দুপক্ষের সংঘাতে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বিধানসভা।বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে অগ্নিমিত্রা পাল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন। সেই প্রসঙ্গে তিনি অনুপ্রবেশকারী ও অপরাধের প্রসঙ্গ এনে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন। তাঁর মন্তব্যে বিধানসভায় তুমুল হইচই শুরু হয়। তিনি বলেন, সরকার মাদ্রাসা শিক্ষায় বাজেট বাড়ালেও সেই শিক্ষা থেকে কেন ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার তৈরি হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সংখ্যালঘু উন্নয়নের নামে সরকার অপরাধীদের রক্ষা করছে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন তৃণমূল বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বহু মানুষের আত্মত্যাগ রয়েছে। তাঁদের অপরাধী বলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি কাজী নজরুল ইসলাম ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের নাম উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, তাঁরা কি অপরাধী ছিলেন। অগ্নিমিত্রার মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান তিনি।এরপর বিধানসভায় তুমুল হইচই শুরু হয়। তৃণমূল বিধায়করা প্রতিবাদে স্লোগান দিতে থাকেন। বিজেপি বিধায়করাও পাল্টা স্লোগান শুরু করেন। দুই পক্ষের উত্তেজনার মধ্যে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এমন কোনও মন্তব্য করা যাবে না, যাতে কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায় আঘাত পান। সংখ্যালঘু ও অপরাধ সংক্রান্ত অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য বিধানসভার কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার।অধিবেশন শেষে বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, তিনি কোনও অন্যায় কথা বলেননি। তাঁর দাবি, রাজ্য সরকার তোষণের রাজনীতি করছে, যা সকলেই জানেন। ধর্মের রাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে ফিরহাদ হাকিমকে নিশানা করে প্রশ্ন তোলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য গত ১৫ বছরে কী উন্নয়ন হয়েছে এবং মাদ্রাসা থেকে কতজন উচ্চপদস্থ পেশাদার তৈরি হয়েছেন, তার হিসাব দিতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় বাবাকে টেনে তুমুল লড়াই! উদয়ন–শুভেন্দু সংঘাতে উত্তাল অধিবেশন

দুজনের বাবাই দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধি। নিজেরাও রাজনীতির প্রথম সারির মুখ। একজন বর্তমানে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী, অন্যজন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। সেই উদয়ন গুহ ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে শুক্রবার বিধানসভায় তীব্র বাক্যুদ্ধ শুরু হল একে অপরের বাবাকে টেনে। বাজেট অধিবেশনের মাঝেই এই সংঘাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা।শুক্রবার বাজেট বিতর্কের সময় বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ী বক্তব্য রাখছিলেন। তিনি ওড়িশা সরকারের উন্নয়ন কাজের উদাহরণ দিচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল মন্ত্রী উদয়ন গুহ মন্তব্য করেন, ওরা তো বাঙালিদের মারছে। সেটা বলুন। এই মন্তব্যের পরেই বিজেপির বেঞ্চ থেকে প্রবল হইচই শুরু হয়।এরপর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী উদয়ন গুহকে লক্ষ্য করে বলেন, আপনি তো আপনার বাবাকেই চোর বলেছেন। এই কথা শোনা মাত্র তৃণমূল বিধায়করা প্রতিবাদে সরব হন। দুপক্ষের মধ্যে শোরগোল এতটাই বেড়ে যায় যে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ করে সবাইকে শান্ত হতে বলেন এবং আলোচনায় ফিরতে নির্দেশ দেন।স্পিকারের অনুমতি নিয়ে পরে উদয়ন গুহ বলেন, আমার বাবা কমল গুহ সাতবার বিধায়ক ছিলেন। টানা ১৯ বছর মন্ত্রী ছিলেন। আমি তাঁর রাজনৈতিক কাজকর্ম নিয়ে কিছু সমালোচনা করতেই পারি। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী প্রমাণ করে দেখান, আমি কোথায় আমার বাবাকে চোর বলেছি।এরপরই উদয়ন গুহ আরও তীব্র আক্রমণ করে বলেন, আপনি তো শিশিরবাবুর ছেলে। অথচ নিজেকে বলেন মোদীর ব্যাটা। তাহলে আপনি আসলে কার ছেলে? এই মন্তব্যের পরেই বিধানসভায় ফের তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তৃণমূল ও বিজেপি বিধায়করা একে অপরের দিকে আঙুল তুলে স্লোগান দিতে থাকেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে দেখে স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বিষয় নিয়ে কারও বক্তব্যই বিধানসভার কার্যবিবরণীতে রাখা হবে না। তবে বাবাকে কেন্দ্র করে এমন প্রকাশ্য ব্যক্তিগত আক্রমণ রাজ্য বিধানসভার ইতিহাসে বিরল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

বাজেটের আগে বড় বার্তা মোদীর, ‘এখন সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়’

শুরু হয়ে গেল সংসদের বাজেট অধিবেশন। আজ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার আগেই, প্রথা মেনে বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে সংসদের বাইরে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে সমাধানের সময় এসেছে। সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখন। তিনি সাংসদদের কাছে আবেদন জানান, দলমত নির্বিশেষে এগিয়ে এসে দেশের স্বার্থে কাজ করার জন্য। তাঁর কথায়, গণতন্ত্রে বিরোধিতা স্বাভাবিক হলেও শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্য কাজ করাটাই আসল। এই সরকার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজের ডেলিভারির উপর জোর দিয়েছে এবং সেই পরম্পরা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের গণতন্ত্র ও জনসংখ্যাগত বৈচিত্র আজ গোটা বিশ্বের কাছে অনুপ্রেরণা। এই সরকারের মূল পরিচয় হল রিফর্ম, পারফর্ম এবং ট্রান্সফর্ম। তাঁর দাবি, সরকার সংস্কার করেছে, কাজ করে দেখিয়েছে এবং ঈশ্বরের আশীর্বাদে দেশকে রূপান্তরের পথেও এগিয়ে নিয়ে যাবে। দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান খুঁজে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের পথে দেশ এগোচ্ছে বলেও জানান তিনি।মোদী বলেন, সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত মানুষকেন্দ্রিক। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে মানবিক ব্যবস্থাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে। আত্মনির্ভর ভারতের ভাবনাকে আশার আলো বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, চলতি অর্থবর্ষের শুরুতেই ভারতের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তি দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে, বিশেষ করে উৎপাদন ক্ষেত্রের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে।প্রধানমন্ত্রীর মতে, এই চুক্তির ফলে ২৭টি দেশের বাজার ভারতের সামনে খুলে গিয়েছে। তবে এর জন্য পণ্যের গুণমান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ গুণমানই দীর্ঘদিন মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে পারে। এই চুক্তি দেশের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জন্যও নতুন সুযোগ এনে দেবে বলে তিনি জানান।তিনি বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে পৌঁছনোর যাত্রা শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী ২৫ বছর দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম বাজেট হতে চলেছে এটি। উল্লেখ করেন, নির্মলা সীতারামন দেশের প্রথম মহিলা অর্থমন্ত্রী হিসেবে সংসদে টানা নবার বাজেট পেশ করতে চলেছেন।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, আগের দিন রাষ্ট্রপতি সংসদের উভয় কক্ষে সাংসদদের উদ্দেশে দিশা দেখানো বক্তব্য রেখেছেন। সেই বক্তব্যে এই অধিবেশন ও আগামী দিনের জন্য সাংসদদের কাছে নানা প্রত্যাশার কথা বলা হয়েছে। তাঁর বিশ্বাস, সব সাংসদই সেই বক্তব্য গুরুত্ব দিয়ে শুনেছেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করবেন। এভাবেই শুরু হল চলতি বছরের বাজেট অধিবেশন।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজনীতি

‘ক্ষমতা থাকে তো ছুঁয়ে দেখান,’ মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

রাজ্যে বাজেট অধিবেশন চলছে। বাজেট অধিবেশন শুরুর দিন থেকেই হই হট্টগোল দেখা গিয়েছে অধিবেশন ঘিরে। বাজেট অধিবেশন সূচনার আগে বিজেপির হট্টোগোলের জেরে বারংবার ভাষণ পাঠে বাধা পেয়েছিলেন রাজ্যপাল। অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে চলে যেতে চেয়েও অবশ্য তৃণমূল বিধায়কদের ঘেরাও-এর জেরে তা পারেননি। পরে কোনওমতে প্রথম এবং শেষ লাইন পাঠ করে অধিবেশন কক্ষ্য ত্যাগ করেছিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যে তৃণমূল-বিজেপি বিবাদ নতুন ঘটনা নয়। সেই বিবাদের প্রতিফলন ঘটে রাজ্য বিধানসভায়ও। এদিন বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করে ভারতীয় জনতা পার্টি। তারপর বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয় নিয়ে শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ জানান মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি এদিন বলেছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেছি যদি আপনার ক্ষমতা থাকে আমাকে ছুঁয়ে দেখান। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা গিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টে। দুই আদালতেই রায় শুভেন্দুর পক্ষেই গিয়েছিল। আদালতে তরফে রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনার উল্লেখ করেই মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন বিরোধী দলনেতা।প্রসঙ্গত, কাঁথি পুরসভার গোডাউন থেকে ত্রিপল চুরির অভিযোগ ওঠে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। সেই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট অবধি। এই মামলার রায়ে হাইকোর্ট থেকে রক্ষাকবচ পান শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর রহস্যমৃত্যুসহ পাঁশকুড়া এবং নন্দীগ্রামের মামলায়ও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। পাশাপাশি মানিকতলা এবং তমলুকের মামলায় রাজ্যের শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। হাইকোর্টের এই রায়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে।বুধবার পুলিশ বাজেট পেশ করেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের পুলিশকে দলদাস হিসেবে অভিহিত করে শুভেন্দু বলেন, বাংলায় শাসকের আইন চলছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, দলবিরোধী তিন-চার জনকে শিখিয়ে নিয়ে এসে বিজেপি বেঞ্চ থেকে পরিকল্পিত ভাবে গোলমাল করানোর চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের কয়েকজন ও দিকে চলে গিয়েছে। তাঁদের সম্পর্কে যদি বলতে শুরু করি আমি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি, আমার বিরুদ্ধে এত মামলা দিয়েছেন। আমি হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ পেয়েছি। আপনার ক্ষমতা থাকে শুভেন্দু অধিকারীকে ছুঁয়ে দেখান। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে এই সব মন্তব্য করছেন। শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মিথ্যাচার ও হাউসকে অচল করার চেষ্টার প্রতিবাদ করে, দলদাস পুলিশ বাজেটের বিরোধিতা করে ওয়াকআউট করেছি।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য বাজেট পেশ করলেন চন্দ্রিমা, শেষ করলেন মুখ্যমন্ত্রীর কবিতায়

সদ্যই অর্থদপ্তরের পূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। রাজ্যে এই প্রথম কোনও মহিলা অর্থমন্ত্রী পড়লেন বাজেট। শুক্রবার নির্ধারিত সময়ে বিধানসভায় পৌঁছন চন্দ্রিমা। বাজেট পেশের আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদজ্ঞাপন করেন তিনি। বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই ইতিহাস তৈরি করেছেন। আমি কৃতজ্ঞ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। তিনি যে আমাকে বাজেট পেশ করার এই সুযোগ দিয়েছেন, সেটা আমার কাছে এমন এক মুহূর্ত বলে বোঝাতে পারব না। আমি তাঁকে শ্রদ্ধা জানাই।এক নজরে রাজ্য বাজেট-● অতিমারি পরিস্থিতিতেও রাজ্যের আয় বেড়েছে। রাজ্যের রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৩.৭৬ গুন ।● নারী এবং শিশু কল্যাণ প্রকল্পে ১৭.৫ গুণ বরাদ্দ বাড়ল। ১৯ হাজার ২৩৮ কোটি ২৭ লক্ষ টাকাবরাদ্দের প্রস্তাব।● স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণে ১৭ হাজার ৫৭৬ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবঅর্থমন্ত্রীর। জন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় বরাদ্দ তিন হাজার ৮৭৭ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা। এ ছাড়াবিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং বায়েটেকনোলজি সংক্রান্ত দপ্তরের জন্য ৭২ কোটি ২০ লক্ষ টাকাবরাদ্দের প্রস্তাব বাজেটে।● কৃষি এবং কৃষি বিপণনে প্রায় ১০ হাজার কোটা টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের।চন্দ্রিমা জানালেন, কৃষি বিপণনে ৪০৩.৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব দিচ্ছেন তিনি। একইসঙ্গে কৃষিক্ষেত্রে ৯ হাজার ৩১০.২০ কোটি বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। কৃষি ক্ষেত্রে ১১.৩গুণ বেরেছে বরাদ্দ। কৃষকদের সাহায্য করতে কৃষকবন্ধু প্রকল্প। ৭৮ লক্ষ কৃষক সাহায্য পেয়েছেন।● সিএনজি চালিত গাড়িতে রেজিস্ট্রেশনে ছাড়। রেজিস্ট্রেশন ফি মকুবের প্রস্তাব। এ ছাড়া সিএনজিচালিত গাড়িতে ২ বছরের জন্য রোড ট্যাক্স মকুব।● ফ্ল্যাট বাড়ি কেনা বেচায় কর ছাড় রাজ্য বাজেটে।● স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড়ের মেয়াদবৃদ্ধি।● ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ শতাংশ কর ছাড় মিলবে।● সার্কেল রেটেও ১০ শতাংশ ছাড়।● প্রাণী সম্পদ উন্নয়নে এক হাজার ২৬৬ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।● উপজাতির উন্নয়নের জন্য এক হাজার ৮৯ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব। পিছিয়ে পড়াশ্রেণির জন্য দুহাজার ১৭৮ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।● শহরাঞ্চলের এবং পুরএলাকাগুলির উন্নয়নে ১২ হাজার ৮১৮ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।● স্কুল শিক্ষা ক্ষেত্রে ৩৫ হাজার ১২৬ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাজ্য বাজেটে।প্রযুক্তি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এক হাজার ২৮৬ কোটি টাকা, গণশিক্ষা সম্প্রসার এবং গ্রন্থাহার পরিষেবার উন্নয়নে বরাদ্দ ৩৮৭ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা, সংখ্যালঘুএবং মাদ্রাসা শিক্ষায় পাঁচ হাজার চার কোটি পাঁচ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বাজেটে। উচ্চশিক্ষায় পাঁচ হাজার ৮১১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।● তরুণ প্রজন্মের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প খেলাধূলোর ক্ষেত্রে ৭৪৯ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা বরাদ্দেরপ্রস্তাব। এ ছাড়া স্বনির্ভর গোষ্ঠী বা স্বনিযুক্তির প্রকল্পে বরাদ্দ করা হল ৭২০ কোটি ৮৪ লক্ষটাকা।● স্বরাষ্ট্র এবং পার্বত্যবিষয়ক দপ্তরে বরাদ্দ করা হল ১২ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা। উত্তরবঙ্গেরউন্নয়নে ৭৯৭ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।● বনবিষয়ক উন্নয়নে ৯৩৮ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হল রাজ্য বাজেটে। সুন্দরবনের উন্নয়নেবরাদ্দ করা হয়েছে ৭২০ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা। পরিবেশের উন্নয়নে বরাদ্দ ৯৯ কোটি টাকা।● পর্যটনের উন্নয়নে ৪৬৭ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব, পরিবহণে বরাদ্দ এক হাজার ৭৮৮কোটি ১৪ লক্ষ টাকা।

মার্চ ১১, ২০২২
কলকাতা

২ বিজেপি বিধায়কের সাসপেনশন নিয়ে বাজেট অধিবেশনে তুমুল হট্টগোল, ওয়াক আউট বিজেপির

রাজ্য বিধানসভার চলতি বাজেট অধিবেশন যে উত্তপ্ত হবে প্রথম দিনই তার ইঙ্গিত মিলেছিল।সোমবার অধিবেশনের শুরুর দিনই রাজ্যপালের ভাষণের সময় নজিরবিহীন বিক্ষোভ দেখিয়ে সেই চড়া সুর বেঁধে দিয়েছিল বিরোধী বিজেপি। বুধবার অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও নিজেদের অবস্থান অপরবর্তিত রাখল শাসক দল। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের দেওয়া বক্তব্যের জবাবি ভাষণ দিতে উঠলে পদ্মশিবিরের বিধায়কেরা চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দেন।তাদের দাবি সাসপেন্ড হওয়া দুই সদস্যের ওপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার করতে হবে।স্পিকার সেই দাবি না মানলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রায় একঘন্টা ভাষণ চলাকালীন স্লোগান শাউটিং চালিয়ে যান তাঁরা।এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপি বিধায়কদের লক্ষ্য করে তিনি বলেন, হাউজে রীতিমতো মস্তানি চলছে। বাংলার বহুশ্রুত প্রবাদের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওরা যত গর্জন করে, তত বর্ষায় না।ওদের কাজ শুধু সভায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করা।সোমবার রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের সূচনায় রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিধানসভায় অভব্য আচরণ বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগে দুই বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হল। বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে চলতি অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করেছেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার,বিধানসভায় সরকারপক্ষের তরফে ঐদিন বিধানসভায় গোলমাল জন্য বিরোধী বিজেপিকে দায়ী করে একটি প্রস্তাব আনা হয়। পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ওই প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন সেদিন বিজেপি সদস্যরা যেভাবে চিৎকার-চেঁচামেচি করে কাগজ ছুড়ে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছেন তাতে শুধুমাত্র রাজ্যপাল নয় বিধানসভারও মর্যাদা লংঘন হয়েছে।মিহির গোস্বামী এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায় এই কর্মসূচিতে সামনের সারিতে ছিলেন। এই আচরণের শাস্তি স্বরূপ চলতি অধিবেশনের জন্য ওই দুই বিধায়ক কে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। অধ্যক্ষ প্রস্তাবটি সভায় ভোটাভুটির জন্য পেশ করলে ধ্বনি ভোটে সেটি গৃহীত হয়।এদিকে দুই বিধায়কের সাসপেনশনের প্রতিবাদে বিরোধী বিজেপি বিধায়করা অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিধায়করা অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখান। তারা সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবিতে স্লোগান দেন। বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন,সাসপেনশন তোলা না হলে অধিবেশনের বাকি দিনগুলি ওই দুই বিধায়ক লবিতেই বসে থাকবেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পরিষদীয় দল গত সোমবার বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে সূচনায় রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিশৃংখলার ঘটনা নিয়ে একটি প্রস্তাব আনতে চলেছে। এদিন কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপির বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, শাসকদলের হিটলার, মুসোলিনিদের মতো আচরণ আমরা জানি। নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেছেন, বিধানসভা অধিবেশনে প্রথম দিন রাজ্যপালের বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। টেবিল হয়েছে। দ্বিতীয় দিন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃ্ত্যু নিয়ে শোকজ্ঞাপনের কথা ছিল। সেখানে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু আমরা আশা করেছিলাম সাধন পাণ্ডে, যিনি বর্তমানে মন্ত্রী থাকা অবস্থায় মারা গিয়েছেন তাঁর শোক প্রস্তাব আলোচনা হবে। এর আগে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে নোশনে শোকপ্রস্তাব রাখার সবাই সুযোগ পেয়েছিল। তিনি আরও বলেছেন, সাধন পাণ্ডে নিয়ে শোক প্রস্তাব হলে আমাদের তরফ থেকে মনোজ তিগ্গা এবং আরও দুইজন বিধায়ককে তা নিয়ে আলোচনা করার দায়িত্ব দিয়েছিলাম। কিন্তু রীতি ভেঙে এইবার সাধন পাণ্ডেকে স্মরণ করার সুযোগ কোনও বিধায়কদের দেওয় হয়নি। তিনি তাঁর কারণ হিসেবে বলেছেন, এখানে একটাই পোস্ট। সেটা মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি নজরুল মঞ্চে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করবেন তাই এখানে দুই মিনিটে হাউস শেষ হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২২
কলকাতা

বিধানসভায় নজিরবিহীন ঘটনা, বিজেপির বিক্ষোভের মুখে রাজ্যপাল

বিধানসভায় নজিরবিহীন ঘটনা। আজ ছিল বাজেট অধিবেশনের শুরু। অধিবেশনের শুরুতে রাজ্যপালের ভাষণের আগেই বিজেপির বিক্ষোভ। তুলকালাম বিধানসভায়। শেষমেশ ভাষণ পাঠই করতে পারলেন না রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সোমবার সকালে রাজ্যপালের ভাষণ পাঠের আগেই ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পদ্ম বিধায়করা। পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। পরে স্পিকারের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূল বিধায়করাও। তাঁরাও দিতে থাকেন পাল্টা স্লোগান। এরইমধ্যে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রাজ্যপালের বক্তব্য সকলের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। সেটাই টেবিল করা হবে বলে জানান স্পিকার। তখনই রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই বলেন, তিনি হতবাক হচ্ছেন। তিনি না বললে কীভাবে তাঁর ভাষণ টেবিল হতে পারে? প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালের বক্তব্য, তিনি যতক্ষণ না বলছেন,. ততক্ষণ তাঁর বক্তব্য টেবিল করা যায় না। স্পিকার সেটি কীভাবে করতে পারলেন? রাজ্যপালের এ বক্তব্যের মাঝেই বিজেপি ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। টানা এক ঘণ্টা বিক্ষোভ চলে বিধানসভায়।বিধানসভা সোমবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল। রাজ্যপাল আগেও নেমে যেতে উদ্যত হয়েছিলেন। শাসকদলের মহিলা বিধায়করা কার্যত রাজ্যপালকে ঘিরে থাকেন বিধানসভায়। তাঁকে নামতে বাধা দেন তাঁরা।এদিকে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর বিরোধীদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তা কাজ না হওয়ায় বক্তৃতা না দিয়েই বসে পড়েন রাজ্যপাল। বিজেপি বিধায়করা স্লোগান দিতে শুরু করেন, ভারত মাতা কী জয়, ছাপ্পা ভোটের সরকার আর নেই দরকার, মানুষ মারা সরকার আর নেই দরকার।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পরিস্থিতিতে তাঁর আসন ছেড়ে দিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে গিয়ে আলাদা করে বৈঠক করেন। ফিরে এসে রাজ্যপালকে অন্তত দুলাইন ভাষণ পাঠ করার অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিক্ষোভ-অশান্তি-স্লোগানে ভাষণই শুরু করেন রাজ্যপাল। এরপর বেলা ৩.০৭ মিনিট নাগাদ বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিতে আসেন মুখ্যমন্ত্রীও। ভাষণ আর পড়তে পারলেন না রাজ্যপাল। কেবল ভাষণের প্রথম ও শেষ লাইন পড়েই নিয়ম রক্ষা করতে হল তাঁকে। আজকের ঘটনা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এমনকী স্পিকারও বলেন, এমন ঘটনা বিধানসভায় আগে ঘটেনি।

মার্চ ০৭, ২০২২
দেশ

সংসদ শুরুর আগে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

সোমবার সংসদে শুরু হল বাজেট অধিবেশন। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলির তরফে গোলমালের আশঙ্কা করে আগে থেকেই সাংসদদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার সংসদে ঢোকার আগে মোদি বলেন, সংসদের প্রত্যেককে অধিবেশনে স্বাগত। তবে আশা করব, ভোট কোনওভাবেই বাজেট অধিবেশনকে প্রভাবিত করবে না। সব দল খোলা মনে উত্তম চর্চা করে দেশের প্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবেন।মোদি এদিন বলেছেন, ভারতের অর্থনীতি বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই বাজেট অধিবেশনও ভারতের আার্থিক প্রগতিকে আগামী এক বছরের জন্য প্রভাবিত করবে। আশা করব, দেশের উন্নতির কথা মাথায় রেখে সাংসদরা একযোগে কাজ করবেন। কারণ, ভোট নিজের জায়গায়, বাজেট অধিবেশন নিজের জায়গায়।ঘটনাচক্রে, বাজেট অধিবেশন যখন বসছে, তখন পেগাসাস নিয়ে দেশে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আবার উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব, গোয়া এবং মনিপুরেও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হচ্ছে পুরসভা ভোট। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমান, পেগাসাস-কাণ্ড এবং ভোটকে সামনে রেখে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীরা অশান্তি করতে পারেন ভেবেই আগে থেকে এই বার্তা দিয়ে রাখলেন মোদি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রপতির বক্তব্য দিয়ে শুরু হল বাজেট অধিবেশন

মঙ্গলবার সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে সোমবার শুরু হল ২০২২-এর বাজেট অধিবেশন। অধিবেশন শুরু হওয়ায়র আগে বক্তব্য পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের বক্তব্যে শুরু হল অধিবেশন। সংসদের সেন্ট্রাল হলে সব সাংসদদের উপস্থিতিতে বক্তব্য পেশ করেন তিনি। শুরুতেই করোনা অতিমারির কথা উল্লেখ করে প্রথম সারির যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানালেন রাষ্ট্রপতি।রাষ্ট্রপতি বলেন, আমাদের সরকার কৃষকদের শক্তি বাড়াতে নিরন্তর কাজ করে চলেছে। রবি শস্য উৎপাদনের সময়, সরকার যে ফসল কিনেছে, তাতে উপকৃত হয়েছে ৫০ লক্ষ কৃষক। খারিফ শস্য উৎপাদনের সময়, যে পরিমান ধান কিনেছে সরকার, তাতে উপকৃত হয়েছে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কৃষক। দেশের কৃষি ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য দেশের ছোট কৃষকদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, দেশের ৮০ শতাংশই ছোট কৃষক। কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার মাধ্যমে সরকার সুবিধা দিচ্ছে সেই ছোট কৃষকদের।রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় পাকা ঘর পেয়েছেন ২ কোটি মানুষ। পাশাপাশি, সব ঘরে জল পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে জল জীবন মিশন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষের জীবন পাল্টাচ্ছে। ঘরে ঘরে জল পৌঁছে গিয়েছে। গ্রামের মা বোনেরা উপকৃত হয়েছে। জনধন যোজনার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ৪৪ কোটি ভারতবাসীর জনধন অ্যাকাউন্ট থাকায় করোনা-কালে তাঁরা সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা পেয়েছেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বের বড় বড় দেশে খাদ্যের অভাব দেখেছি আমরা। কিন্তু দেশের সংবেদনশীল সরকার নিশ্চিত করেছে যাতে ১০০ বছরের মধ্যে সবথেকে ভয়ঙ্কর অতিমারিতে কেউ অভুক্ত না থাকে। দেশের সব দরিদ্র মানুষকে আমাদের সরকার বিনামূল্যে রেশন দেয়। ৮০ কোটি ভারতবাসীকে ১৯ মাস ধরে বিনামূল্যে রেশন দিতে ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি খরচ হয়েছে। ভারতে আজ বিশ্বের সবথেকে বড় খাদ্যদ্রব্য বিতরণের উদ্যোগ চলছে।পিছিয়ে পড়া জনজাতিকে সামনে নিয়ে আসছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পদ্ম পুরস্কারেও তার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, করোনাকালে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর সেই কঠিন পরিস্থিতিতে কেন্দ্র থেকে রাজ্য, সব চিকিৎসক, বিজ্ঞানী , নার্স, প্রত্যেকে একটা টিম হিসেবে কাজ করেছে। আমি সেই সব স্বাস্থ্যকর্মী তথা প্রথম সারির যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরও বলেন, সরকার এবং নাগরিকের মধ্যে এমন পরিস্থিতে বোঝাপড়া, সুসম্পর্ক গণতন্ত্রের জন্য অভূতপূর্ব নজির বলে মনে করি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

আজ শুরু সংসদের বাজেট অধিবেশন, বাজেট পেশ কাল

আজ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন। সম্ভবত ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ২০২২ সালে চতুর্থবারের জন্য বাজেট পেশ করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রত্যেকবার বাজেট পেশের আগে কেন্দ্রীয় সরকার হালুয়া অনুষ্ঠান আয়োজন করলেও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই রীতি এবার বন্ধ রাখা হয়েছে।রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের মাধ্যমে এবারের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি অবধি চলবে অধিবেশনের প্রথম ধাপ। পরবর্তী ধাপে মার্চ মাসের ১৪ তারিখ থেকে শুরু হয়ে এপ্রিলের ৮ তারিখ পর্যন্ত চলবে অধিবেশ।২০২১-২২ অর্থবর্ষে প্রথমবারের জন্য পেপারলেস বাজেট পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। একইভাবে এইবারও পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইউনিয়ন বাজেট মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে। শুধুমাত্র সাংসদরা এই অ্যাপ ব্যবহার করে বাজেট সম্পর্কিত যাবতীয় খুঁটিনাটি জানতে পারবেন। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট অধিবেশন শেষ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই এই অ্যাপে বিস্তারিত তথ্য মিলবে।কেন্দ্রীয় বাজেট সম্পর্কিত ১৪ টি নথিপত্র এই মোবাইল অ্যাপ থেকে পাওয়া যাবে। হিন্দি ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই ব্যবহার করা যাবে এই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি। সাধারণ জনগণ ডব্লুউডব্লুউডব্লুউ ডট ইন্ডিয়াবাজেট ডট কম-ওয়েবসাইট থেকে বাজেটের নথিপত্র দেখতে পাবেন। এবারের বাজেট অধিবেশনে ৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি কোনও জিরো আওয়ার থাকবে না। ৩১ জানুয়ারি রাজ্যসভার নেতারা ভার্চুয়ালি কথা বলবেন। বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে সংসদে কঠোরভাবে করোনাবিধি মেনে চলার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

আজ শুরু বাজেট অধিবেশন

কোভিড পরিস্থিতি, কৃষক বিক্ষোভের মধ্যেই আজ থেকে সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত অধিবেশন চলবে। তবে বিতর্কিত কৃষি আইন নিয়ে অপ্রিয় প্রশ্নে কেন্দ্রকে কোণঠাসা করতে মুখিয়ে রয়েছেন বিরোধীরা। সেই সঙ্গে কোভিডকালে দেশের ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে।কোভিড পরিস্থিতিতে ৩টি আলাদা জায়গায় সমস্ত সাংসদদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।শুধু কৃষক আন্দোলনই নয়, এ বারের বাজেটে দেশের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি এবং তা নিয়ে অপ্রিয় প্রশ্ন সরকারের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ কেন্দ্র ভূরি ভূরি দাবি করলেও, অর্থনীতি সে ভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে না বলে মত অর্থনীতিবিদদের একাংশের। বরং চলতি অর্থবর্ষে দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের হার ২৫ শতাংশ কমতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের। কোভিড পরিস্থিতিতে অধিবেশনের জন্য বিশেষ সতর্কতাও অবলম্বন করা হচ্ছে। উপ রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু এবং অন্য সাংসদরা ইতিমধ্যেই কোভিড টেস্ট করিয়েছেন। কর্মী, আধিকারীক মিলিয়ে রাজ্যসভা সেক্রেটারিয়েট থেকে মোট ১২০০ জন কোভিড টেস্ট করিয়েছেন। এঁদের কারুরই টেস্ট পজিটিভ আসেনি বলে খবর।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
দেশ

তৃণমূলের পথে কংগ্রেস, সিপিএম-সহ ১৬ বিরোধী দল

কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের বিরোধিতায় সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিন অনুপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল। তৃণমূলকে সমর্থন জানিয়ে একই সিদ্ধান্তের পথে হাঁটল ১৬ টি বিরোধী দল। সকলের তরফে যৌথ বিবৃতি দিয়ে সে কথা জানিয়ে দিলেন কংগ্রেস সাংসদ গুলাম নবি আজাদ। পাশে দাঁড়াল ন্যাশনাল কনফারেন্স, শিবসেনা, ডিএমকে, সিপিএম সকলেই।বৃহস্পতিবার বিধানসভা অধিবেশন শেষে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সংসদের প্রথম দিন অনুপস্থিত থাকবে তৃণমূল। তিনিই জানান, আরও ১৬ টি দলও একই সিদ্ধান্তের পথে হেঁটেছে বলে শুনেছেন। এরপরই কংগ্রেস সাংসদ গুলাম নবি আজাদ জানান, আগের অধিবেশনে বিরোধীদের মতামত না নিয়ে একক সিদ্ধান্তেই কৃষি বিল পাশ করিয়ে আইনে পরিণত করেছে কেন্দ্র সরকারপক্ষ। তারই প্রতিবাদে চলতি অধিবেশনের প্রথম দিন বয়কট করছে বিরোধী দলগুলো। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির ভাষণ দিয়ে সূচনা হয় সংসদ অধিবেশনের। এবারও ২৯ জানুয়ারি, অর্থাৎ সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনও রয়েছে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণ। কিন্তু তাতে থাকবেন না তৃণমূল সাংসদরা, থাকবেন না আরও ১৬ টি দলের জনপ্রতিনিধিরাও। এদিকে, একই পথে হেঁটে সংসদের প্রথম দিন রাষ্ট্রপতি ভাষণ বয়কটের কথা জানিয়েছেন আপ সাংসদ সঞ্জয় সিংও।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal